শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮:১৯ পিএম, ২০২৬-১০-১৭
ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, লালন সাঁইকে শুধু একজন গীতিকার বা শিল্পী হিসেবে বিবেচনা করলে তাঁর প্রতি অবিচার করা হবে। তিনি ছিলেন বাংলার মানবতাবাদী দর্শনের অন্যতম প্রতিকৃতি। ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের ঊর্ধ্বে উঠে লালন সাঁই তাঁর দর্শন ও গানের মাধ্যমে মানবতাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছেন। তাঁর মানবতাবাদী দর্শন ধারণ করতে পারলে সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করে একটি সাম্য ও মানবিক সমাজ গঠন সম্ভব।
আজ শনিবার চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির অনিরুদ্ধ মুক্তমঞ্চে জেলা প্রশাসন আয়োজিত লালন সাঁই-এর ১৩৬তম তিরোধান দিবস উপলক্ষ্যে- লালন স্মরণানুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের পার্থক্যকে বিবেচনায় না এনে মানুষকে মানবিক মর্যাদা দিয়ে গ্রহণ করতে হবে এবং মানুষের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে। তাহলেই একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। লালন সাঁইয়ের দর্শন আমাদের সেই মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, লালন সাঁইয়ের মানবতাবাদী দর্শনের সঙ্গে সাম্য ও ঐক্যের যে চেতনা রয়েছে, তা আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনেও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ধর্মীয়, বর্ণগত ও সাংস্কৃতিক পার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ের মাধ্যমে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার একটি সুন্দর মতবাদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর ফলে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও সংস্কৃতির মানুষ নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে একটি অভিন্ন বাংলাদেশি পরিচয়ের অধীনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
বাংলাদেশের বৈচিত্র্যের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংস্কৃতি ও জীবনাচরণে ব্যাপক বৈচিত্র্য রয়েছে। একেক অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য একেক রকম হলেও এই বৈচিত্র্যই বাংলাদেশের সৌন্দর্য।রংধনুর সাতটি রং যেমন একসঙ্গে মিলে একটি সুন্দর রূপ তৈরি করে, তেমনি বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও সংস্কৃতির মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়সল আহমেদ , চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাইলাউ মারমা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) কেন্দ্রীয় নেতা আমিনুল ইসলাম চট্টগ্রাম মহানগর ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা,লালন অনুরাগী, সাধারণ জনসাধারণসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক। মিডিয়ায় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কক্সবাজার প্রতিনিধি: : কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী বিচসংলগ্ন পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ ...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্যান্ড জগতের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার (১৮ অক্টোবর) বাদ à¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘এসিআই মর্টার ওয়ার্কেবিলিটি কম্পিটিশন ২০২৬&r...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মাদকবিরোধী অভিযানে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেà¦...বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপনের প্রত্যাশা করে বিএনপির চট্টà¦...বিস্তারিত
আমাদের ডেস্ক : : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরের পশ্চিম মাদারবাড়ীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উপহারসামগ্রী à...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 Dainik amader Chattagram | Developed By Muktodhara Technology Limited